Malaysia Tour

ঢাকা থেকে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য এবং মালয়শিয়াতে যেসব প্রসিদ্ধ জায়গা রয়েছে সেগুলো ভ্রমণ করার জন্য আমাদের এই পোস্টটি আপনাদের জন্য করা হলো। লেখক নিজে মালয়েশিয়াতে কয়েকবার ভ্রমণ করেছেন তাই কম খরচে কিভাবে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরা যায়, কি কি দর্শনীয় স্থান আছে যা না দেখলেই নয়, এরকম বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন এবং মালয়শিয়াতে আপনি কোথায় থাকবেন কি খাবেন কিভাবে চলাফেরা করবেন কোথায় শপিং করবেন এসব কিছু আপনাদের কে বিস্তারিত পোষ্টের মাধ্যমে আমরা জানানোর চেষ্টা করছি। লিখেছেনঃ Arefin Sajib

যদি আপনি মালয়েশিয়াতে তিন থেকে চার দিনের ভ্রমণে যেতে চান তাহলে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর ভালোভাবে করে দেখতে পারেন। আর যদি আপনি এক সপ্তাহের সময় নিয়ে ঘুরতে যেতে চান তাহলে আপনি Langkawi অথবা Penang ঘুরে আসতে পারেন। কি ধরনের বাজেটে আপনার কি রকম খরচ হবে সেটা আমাদের ভ্রমণের বিস্তারিত দেওয়া হবে। সেখান থেকে আপনি হিসেব করে আপনার ভ্রমণের বাজেট করে নিতে পারেন। ভ্রমণের বাজেট দিয়ে নির্ভর করে আপনি কিভাবে সেখানে চলাফেরা করবেন শপিং করবেন খাওয়া-দাওয়া করবেন সেটার উপর। তাই আমাদের সবগুলো দিক এখানে তুলে ধরা চেষ্টা করছি যেন ভ্রমণে আপনারা নিজেরা ডিসিশন নিতে পারেন কিভাবে আপনার ভ্রমণ করবেন।


ঢাকা থেকে কিভাবে ভ্রমণ করবেন ?

ঢাকা থেকে মালয়েশিয়া যাওয়ার কমপক্ষে ৩ মাস পূর্বে আপনি হোটেল বুকিং করবেন। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ জায়গা হল Bukit Bintang. এই Bukit Bintang এ সবচেয়ে বেশি টুরিস্ট থাকে কারণ এখান থেকে সব দর্শনীয় স্থানগুলো কাছাকাছি এবং এখানে শপিংয়ের জন্য বিভিন্ন মার্কেট আছে এবং এখানে অনেক ইউরোপ আমেরিকার টুরিস্ট থাকতে আসে। booking.com থেকে Bukit Bintang এর মধ্যে আপনি আপনার বাজেটের মধ্যে ভালো ভালো অনেক হোটেল পাবেন। সেগুলো বুকিং করতে পারেন ১০০০ টাকা থেকে ৪০০০ টাকা পার নাইট আপনি অনেক ভালো হোটেল পাবেন তবে রিভিউ দেখে আপনার বুকিং করলে সুবিধা হবে। বুকিং তিনমাস আগে করলে আপনি কম খরচে বুকিং শেষ করতে পারবেন।

হোটেল বুকিং করার পরে আপনাকে সংশ্লিষ্ট ট্রাভেল এজেন্সিকে ভিসা করতে দিতে হবে। কি কি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে সেগুলো ট্রাভেল এজেন্সি আপনাকে বলে দিবে। তারপরও আমরা আপনাদেরকে একটি লিঙ্কে দিয়ে দিচ্ছি। মালয়েশিয়াতে ইলেকট্রনিক ভিসা আবেদন করা যায়। সেটা কিভাবে নেওয়া যায় এবং সেটার জন্য কিভাবে কাগজপত্র রেডি করতে হয় সেটা নিচের লিংক দেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়াতে ভিসার জন্য আবেদন করলে আপনি তিন মাসের জন্য ভিসা পেতে পারেন। কাগজপত্র ঠিক না হলে ভিসা পাবেন না। একটু কড়াকড়ি। ভিসা পাবার এই তিন মাসের মধ্যেই আপনাকে মালয়েশিয়া ভ্রমণ করতে হবে। তাই ভিসায় আবেদন করারও ৩ মাস আগে আপনি হোটেল বুকিং করবেন এবং ভিসা পাওয়ার পরেই আপনি এয়ার টিকিট মিনিমাম ১ মাস গ্যাপ দিয়ে কিনবেন। মনে করেন আপনি মে মাসের ১ তারিখ ভিসা পেলেন যায় মেয়াদ আগস্ট ১ পর্যন্ত। আপনি জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে টিকিট কিনলে ভাল হয়। যাওয়ার কিছুদিন আগে টিকিট কিনতে গেলে দাম বেড়ে যায়। এভাবেই প্ল্যান করবেন। টিকিট কেনা হলে আপনার বাজার অনুযায়ী ডলার কিনবেন।
মালয়েশিয়াতে বছরে একটা সময় কিছু কিছু এয়ারলাইনস অফার দিয়ে থাকে কিন্তু সেক্ষেত্রে এয়ার টিকিটের দাম খুব একটা কমে না যেটা থাইল্যান্ডের ক্ষেত্রে দেখা যায়। তবে মালিন্দ এয়ার, এয়ার এশিয়া বছরের বিভিন্ন সময় অফার দিয়ে থাকে। মালয়েশিয়া ভ্রমণের ক্ষেত্রে এয়ার এশিয়া কে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকবেন কারন তাদের বিমান গুলো নতুন এবং বেশি পরিষ্কার। বছরে একটা সময় মালয়েশিয়া আপ-ডাউন সাড়ে ১৭ থেকে ১৮ হাজার টাকায় টিকিট পাওয়া যায়। অন্যান্য সময়ে ২১ থেকে ২২ হাজার টাকা আপ-ডাউন টিকিট পরে। তাই যে সময় অফার পাওয়া যায় সেই সময়ে টিকিট কেনার চেষ্টা করতে পারেন কারন মালয়েশিয়া বছরের সব সময় ভ্রমণ করা যায়। কিন্তু ভিসার পরই টিকিট কিনবেন কারন ভিসা সবার হয় না। মালয়েশিয়া এমন একটি দেশ যেখানে যেকোনো সময় বৃষ্টি হয়। এরকম আবহাওয়া সচরাচর দেখা যায় না। তাই যে কোন সময় ভ্রমণ করা যায়। ভ্রমণ করার জন্য সবচেয়ে ভালো হয় গ্রুপে টুর দিলে। যদি তা না পারেন তাহলে চেষ্টা করবেন কাপল হিসেবে টুর দিতে তাহলে আপনাদের অনেকাংশে খরচ কমে যাবে। কিভাবে খরচ কমবে সেই ব্যাপারে আমরা সম্পূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়ে দিব।

ভ্রমনের পূর্বে যেসব ব্যাপারে খেয়াল রাখবেনঃ


ই-ভিসার আবেদনের কাগজপত্র
সাধারণত ফ্লাইটগুলো রাত বারোটা একটার দিকে হয়ে থাকে। মালয়েশিয়া যেতে সাড়ে তিন ঘন্টা সময় লাগে বাংলাদেশ থেকে হযরত শাহজালাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে। রাত 1 টার ফ্লাইটে আপনি রওনা দিলে মালয়েশিয়াতে ভোর সাড়ে চারটার দিকে পৌঁছাবেন।
মালয়েশিয়াতে যাওয়ার পূর্বে অবশ্যই আপনার ভিসার ফটোকপি, পাসপোর্ট এর ফটোকপি, টিকিট এর ফটোকপি, হোটেল বুকিং এর ফটোকপি সাথে নিয়ে যাবেন এবং যারা জব করেন তারা অবশ্যই NOC ফটোকপি নিয়ে যাবেন কারণ ইমিগ্রেশন এগুলা দেখতে চাইতে পারে এবং প্রথমবার মালয়েশিয়ায় ভ্রমণ করলে অবশ্যই আপনাকে কিছু প্রশ্ন করতে পারে। কতদিন থাকবেন, কোথায় কোথায় যাবেন ইত্যাদি। তাই সেই ব্যাপারে আপনার একটা আইডিয়া থাকলে ভালো।
আর একটা কথা না বললেই না... মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনে বাংলাদেশীদের অনেক ছোট চোখে দেখা হয়। কারন মালয়েশিয়াতে অনেক বাঙালিরা কাজ করতে যায় এবং অনেক কষ্টে জীবন যাপন করেন। এ কারণে মাঝে মাঝে দেখা যায় যে যে ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে মালয়েশিয়া যায় সে ফ্লাইট এর প্যাসেঞ্জারদের একটি আলাদা রুমে নিয়ে অনেকক্ষণ বসায় রাখে সবকিছু চেক করে তারপরে ইমিগ্রেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। এরকম পরিস্থিতি একবার দেখার কারণে আপনাদেরকে সতর্কতা হিসেবে জানিয়ে দিলাম কারণ বাঙ্গালীদের আসলে মালয়েশিয়ান পুলিশ ভালোভাবে ট্রিট করে না। তাই কাগজপত্র সব ঠিকঠাক মতো নিয়ে যাবেন এবং ভ্রমণ সম্পর্কে বিস্তর ধারণা নিয়ে যাবেন।
মালয়েশিয়াতে কুয়ালালামপুর ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে আপনি ইমিগ্রেশন পার করে আপনি আপনার পাসপোর্ট দিয়ে সিম কিনে নিবেন। যতদিন থাকবেন সেই অনুযায়ী আপনার ইন্টারনেট প্যাকেজ সহ সিম কিনে নিবেন। এরপর হোটেলের উদ্দেশে রওনা হবেন।
মালয়েশিয়া কুয়ালালামপুর ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট অনেক বড়। এখানে KLIA2 (Airport 2 Part) তে আপনাদের বিমান অবতরণ করবে। ২ ভাবে আপনি আপনার হোটেলে যেতে পারেন ইমিগ্রেশন এর কাজ শেষ করে সিম কেনার পর। এয়ারপোর্ট থেকে বের হয় ট্যাক্সি করে হোটেলে যেতে পারেন অথবা মালয়েশিয়ার MRT ব্যবহার করতে পারেন। MRT অনেক দ্রুত গতির ট্রেন। মাত্র ৩০ মিনিটে আপনি এয়ারপোর্টের ভিতরে MRT থেকে মালয়েশিয়ার KL Sentral এ পৌঁছে যাবেন। KL Sentral হল মালয়েশিয়ার MRT Station. এখান থেকে Bukit Bintang অনেক কাছে। মাত্র ৫.৫ কিঃমিঃ। আপনারা যদি একের অধিক যাত্রি হয়ে থাকেন তাহলে টেক্সি করে যাবেন, এতে খরচ বাঁচবে। কুয়ালালামপুর শহরটা দেখতে দেখতে যেতে পারবেন। MRT per person 60RM (1 RM=20tk) আর টেক্সি করে গেলে 85 RM লাগবে সব টোল দিয়ে। (২০১৯ সালের জুলাইয়ের হিসেব) টেক্সি বলতে GRAB/UBER । মোবাইলে GRAB install করে নিবেন এবং মোবাইলের সিম দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে নিবেন। GRAB এ ভাড়া কম আসে। আর আপনি যদি মনে করেন বুলেট ট্রেনের চলবেন তাহলে আপনি মালয়েশিয়ার এয়ারপোর্টে এমআরটি আন্ডারগ্রাউন্ডের থেকে সরাসরি KL Sentral চলে যাবেন। KL Sentral থেকে একটি GRAB call দিবেন। 10RM নিবে। হোটেলে পৌঁছানোর পর সেইদিন আপনারা আশেপাশের ঘুরাঘুরি করতে পারেন। খাবার দাবারের জন্য সেখানে অনেক বাঙালি হোটেল পাবেন। কেএফসিতে খেতে পারেন এবং পাশাপাশি সেখানে অনেক রকমের বাঙালি হোটেল আছে খেতে পারেন তবে দাম দেখে অবশ্যই খাবেন কারণ বাঙালি হোটেলগুলোতে দাম অনেক বেশি রাখা হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন এবং পাশাপাশি Seven-Eleven দোকান তো রাস্তায় রাস্তায় আছেই। আমাদের দেশের মিনাবাজার এর মত এবং সবকিছু পাওয়া যায়।
ভ্রমণের দ্বিতীয় দিন
প্রথম দিন আপনারা চাইলে মালয়েশিয়ায় বিখ্যাত Ganting Highland ঘুরে আসতে পারেন Ganting Highland শহর থেকে 76 কিলোমিটার দূরে এটি পাহাড়ের উপর একটি ছোট্ট শহর। জায়গাটা অনেক সুন্দর এবং আপনাকে যেতে হবে সরাসরি GRAB করে অথবা KL Sentral থেকে সরাসরি আসা যাওয়ার বাস এর মাধ্যমে। Ganting Highland কিভাবে যাওয়া যায়? Bukit Bintang থেকে আপনি সরাসরি Ganting যেতে পারেন। আপনারা যদি তিনজন থেকে চারজন হয়ে থাকেন তাহলে GRAB করে রিল্যাক্স করে যাওয়াই ভালো। তা না হলে KL Sentral থেকে সরাসরি Ganting যাওয়ার আপ-ডাউন বাস করে যেতে পারেন। এসি বাস, অনেক সুন্দর বাস। আপনি চাইলে KL Sentral থেকে বাস এর টিকিট কেটে সকালে রওনা করতে পারেন। সেজন্য আপনাকে সকাল আটটার মধ্যেই বাস কাউন্টারে চলে যেতে হবে। KL Sentral এ যে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই আপনাকে দেখিয়ে দিবে কোথায় বাসের টিকিট কাটা যায়। KL Sentral আন্ডারগ্রাউন্ডে গিয়ে আপনি বাসের টিকিট কাটবেন। বাস আপনার সাড়ে আটটার মধ্যে রওনা দিয়ে দিবে এবং 2 ঘণ্টা জার্নি শেষে আপনাকে নিয়ে যাবে Ganting Highland ক্যাবেল কারে যাওয়ার স্থানে। Ganting Highland যেতে হয় ক্যাবেল কার করে। যেখানে বাস থামে সেখান থেকে আপনাকে সামনে এগিয়ে যেয়ে ক্যাবলকারে উঠতে হবে। বাসের টিকিটে আপনাকে ফেরার সময় উল্লেখ করা থাকবে। ফেরার সময় সেই টিকিট নিয়ে ওই সময়ে আবার বাস কাউন্টারে এসে উপস্থিত হবেন। যে কাউকে জিজ্ঞেস করলে দেখায় দেবে।
ক্যাবল কারে উঠার জন্য আপনাকে টিকিট কাটতে হবে। এরপরে আপনি ক্যাবল কারে চড়ে Ganting Highland পৌঁছে যাবেন। Ganting Highland অনেকটা দেখতে বিশাল শপিং মলের মত। বিশাল এক ধরনের শপিংমল মনে হবে। অনেক কিছু আছে সেখানে। ঘুরে দেখতে সারা দিন লাগবে। এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্যাসিনো Ganting Highland আছে। আপনি সেখানে গেলে ছবি তুলতে পারবেন না, তাই মোবাইল ক্যামেরা সাবধানে রাখতে হবে। যদি ছবি তোলার চেষ্টা করেন আপনার মোবাইল অথবা ক্যামেরা নিয়ে নিবে। ঘুরাঘুরি শেষ করে ফেরার সময় আপনি বাসে উঠে আবার KL Sentral ফিরে আসবেন। সেখান থেকে একটি GRAB নিয়ে আপনার হোটেলে আবার ফিরে আসতে পারেন। আর যদি বাসে না যান তাহলে ফেরার সময় আবার সরাসরি হোটেলের উদ্দেশে GRAB call করবেন। খাওয়া দাওয়ার জন্য সেখানে কেএফসি অ্যাভেলেবল আছে, অনেক রেস্টুরেন্ট আছে। আপনাকে খাওয়া-দাওয়ায় কোন সমস্যা হবে না।
Malaysia Tour
Malaysia Tour
Malaysia Tour
Malaysia Tour
ক্যাবল কারে উঠার জন্য আপনাকে টিকিট কাটতে হবে। এরপরে আপনি ক্যাবল কারে চড়ে Ganting Highland পৌঁছে যাবেন। Ganting Highland অনেকটা দেখতে বিশাল শপিং মলের মত। বিশাল এক ধরনের শপিংমল মনে হবে। অনেক কিছু আছে সেখানে। ঘুরে দেখতে সারা দিন লাগবে। এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্যাসিনো Ganting Highland আছে। আপনি সেখানে গেলে ছবি তুলতে পারবেন না, তাই মোবাইল ক্যামেরা সাবধানে রাখতে হবে। যদি ছবি তোলার চেষ্টা করেন আপনার মোবাইল অথবা ক্যামেরা নিয়ে নিবে। ঘুরাঘুরি শেষ করে ফেরার সময় আপনি বাসে উঠে আবার KL Sentral ফিরে আসবেন। সেখান থেকে একটি GRAB নিয়ে আপনার হোটেলে আবার ফিরে আসতে পারেন। আর যদি বাসে না যান তাহলে ফেরার সময় আবার সরাসরি হোটেলের উদ্দেশে GRAB call করবেন। খাওয়া দাওয়ার জন্য সেখানে কেএফসি অ্যাভেলেবল আছে, অনেক রেস্টুরেন্ট আছে। আপনাকে খাওয়া-দাওয়ায় কোন সমস্যা হবে না।
ভ্রমণের তৃতীয় দিন
দ্বিতীয় দিন আপনি মালয়েশিয়ার আরেক বিখ্যাত স্থান Batu Cave ঘুরে আসতে পারেন। এটি মালয়েশিয়া একটি দর্শনীয় স্থান। শহর থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এখানে সিঁড়ি বেয়ে অনেক উপরে উঠতে হয় এবং উপর থেকে শহর টাকে খুব সুন্দর দেখা যায়। এখানে কোন টিকিট লাগে না। এখানেও খাবার জন্য হোটেল আছে। অর্ধেক বেলা ভ্রমণের জন্য দারুণ একটি জায়গা। ঘুরে দেখতে পারেন। হোটেল থেকে বের হয়ে একটি GRAB কল করে সরাসরি চলে যেতে পারেন কারণ GRAB ভাড়া যথেষ্ট রিজেনেবল। 25-30 RM লাগতে পারে যেতে। সকালে বের হয়ে অর্ধেক বেলা Batu Cave ঘুরে এসে দুপুরের পর বাকিটা সময় আপনি চাইলে মালয়েশিয়ার আশেপাশে দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখতে পারেন। এর মধ্যে আছে Petronas Twin Towers, Menara Kuala Lumpur, KLCC Park, Aquaria KLCC, Alor Road ঘুরে দেখতে পারেন। Alor Road এর Street Food অনেক ফেমাস। এখানে অনেক দোকান আছে শপিং করার জন্য। ভাল দামদর করতে হবে। অধিকাংশ দোকানে বাঙালি আছে। দাম বেশি চাইতে পারে তাই দামদর করবেন ভাল মত। আপনার হোটেল থেকে এসব যায়গায় হেঁটেই যেতে পারবেন। Petronas Twin Tower মাত্র ১.৩ কিমি দূরে Bukit Bintang থেকে। Menara Kuala Lumpur 2km দূরে। Google Map এ সব লোকেশন দেখে হেঁটে হেঁটে ঘুরে আসবেন। Petronas Twin Towers উপরে উঠতে হলে আপনাকে টিকিট কাটতে হবে যেটা অনেক Costly. চাইলে টিকিট কেটে উপরে যেতে পারেন। আরেকটা কথা, স্টারবাকস এর কফি খেতে ভুলবেন না... আর হা, Jalan মানে রাস্তা !
 
ভ্রমণের শেষ দিন
যদি কুয়ালালামপুর থেকে অন্য কোথাও যাওয়ার প্ল্যান না থাকে তাহলে তো এখন দেশে ফেরার পালা... তাই যেদিন রিটার্ন টিকিট কেটেছেন অবশ্যই ৪ ঘন্টা আগে হোটেল থেকে GRAB নিয়ে রওনা দিবেন সরাসরি এয়ারপোর্টে। রাস্তায় জ্যাম হটাত করে পড়ে গেলে বিপদ হতে পারে। তাই হাতে সময় রেখেই রওনা দিবেন। এর পরের পর্বে থাকবে Langkawi ভ্রমনের গল্প। যারা Malaysia তে Langkawi ভ্রমন করতে চান তারা অবশ্যই ঢাকা থেকে মালয়েশিয়া নেমে আরেকটা ফ্লাইটে সবার আগে Langkawi ঘুরে তারপর Kuala Lumpur এসে Bukit Bintang এ এসে এই টুর প্ল্যান করবেন।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন।

Langkawi

Best Places: Pantai Chenang, Langkawi Sky Bridge

Langkawi is a beautiful Island of Malaysia with fabulous weather.

Duration:
2 days
Best Time:
Anytime
Airport:
Langkawi Int. Airport
Extras:
All inclusive

Best Price per person:

$200

Free Tour Guideline
error: Content is protected !!